২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ রাত ১২:০৭ বুধবার
  1. আন্তর্জাতিক
  2. কক্সবাজার জেলা
  3. কমলনগর উপজেলা
  4. কিশোরগঞ্জ জেলা
  5. খেলাধুলা
  6. চট্টগ্রাম জেলা
  7. জাতীয়
  8. ঢাকা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. নারী ও শিশু
  11. নেত্রকোনা জেলা
  12. নোয়াখালী জেলা
  13. ফরিদগঞ্জ
  14. ফেনী জেলা
  15. বিনোদন

নান্দাইলে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত দুই শিশু বাচঁতে চায় ॥ সাহায্যের আবেদন

প্রতিবেদক
মোহাম্মদ রাসেল পাটওয়ারী
মে ১৮, ২০২২ ৯:৫২ অপরাহ্ণ

মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: শিশু শব্দটি শুনলেই চোখের সামনে ভেসে উঠে সদাসুন্দর, নিষ্পাপ ও মায়াবী চেহারা। তাই তো নূন্যতম বিবেকবান মানুষ কোনো শিশুকে কাছে পেলে কোলে টেনে নিয়ে আদর করতে কুণ্ঠাবোধ করেন না। কিন্তু এই শিশুদের যে বয়সে দুষ্টুমিতে মাতিয়ে রাখার কথা খেলার মাঠ, তখন তারা থ্যালাসেমিয়ার মতো দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে শুয়ে থাকতে হয় হাসপাতালের বেডে। তেমনি ঘটেছে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও ইউনিয়নের ধরগাঁও গ্রামের মো. খুশিদ আলমের দুই ফুটফুটে শিশু সন্তানের জীবনে।

জানাগেছে, থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত পুত্র ফয়সাল আহম্মেদ (৬) ও কন্যা মোছাঃ তাজমহল (৭)। তাদের বয়স যখন ১ ও ২ বছর, তখনই এ দূরারোগ্য রোগ ধরা পরে। এতে বাবা খুশিদ আলম ও মাতা মরতুজা আক্তারের ঘরে নেমে আসে অন্ধকার। এ রোগে আক্রান্তদের সুস্থ থাকার জন্য সারা জীবন নিয়মিত রক্ত দিতে হয়। এক ব্যাগ রক্ত পাওয়ার জন্য অনেক খাটুনি খাটতে হচ্ছে। ছেলে মেয়ের চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশের এ্যাপোলো, পিজি, শ্যামলি শিশু হাসপাতাল সহ বেশ কয়েকটি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা বিগত ৫ বছর ধরে তাদের চিকিৎসা চালিয়ে আসছে। কিন্তু এ রোগ মুক্তি মিলছে না।

থ্যালাসেমিয়া চিকিৎসার খরচও অনেক। বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী তাদেরকে ভারত “ভেলর” হাসপাতালে চিকিৎসার করাতে হবে। থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত দুই শিশুর পিতা খুশিদ আলম একজন দিনমুজুর। একটি ভাড়াটিয়া অটো রিক্সা চালিয়ে তাদের সংসার চলে। তাই বলে কি চিকিৎসা থামান যায়? নিজে একবেলা না খেলেও সন্তানদের চিকিৎসায় কোনো ঘাটতি দেবেন না তিনি। কিন্তু থ্যালাসেমিয়া রোগ অন্য যেকোনো রোগের মতো নয় যে একবার চিকিৎসা করালেই সেরে উঠবে। বছরের পর বছর এ রোগের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া লাগে। চিকিৎসার জন্য এত টাকা কোথা থেকে পাবেন খুশিদ আলম। দুচিন্তাই দিনের পর দিন না খেয়ে চলত সংসার। খুশিদ আলমের পিতা রেখে যাওয়া জায়গা জমি বিক্রী করে এত দিন চালিয়েছেন তাদের দুই সন্তানের চিকিৎসার খরচ। ফয়সাল ও তাজমহল যখন থ্যালাসেমিয়া ধরা পড়ল, তখন অসহায় বাবা খুশিদ আলম রাস্তা মানুষ ও বিভিন্ন কলেজের ছাত্রদের ধরে ধরে তাদের সন্তানদের জন্য রক্ত দিতে বলতেন।

খুশিদ আলম বলেন, আমি আমার দুই সন্তানের চিকিৎসার জন্য আমার বাবার রেখে যাওয়া সমস্ত জায়গা জমি বিক্রি করে এতদিন চিকিৎসার খরচ চালিয়েছি। এখন পর্যন্ত প্রায় ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকার মত খরচ হয়েছে। দুই শিশুর যখন রক্তের প্রয়োজন হত তখন আত্মীয় স্বজন সহ স্কুল কলেজের ছাত্র/ছাত্রীর ধারে ধারে ঘুরে রক্ত যোগার করেছি। বর্তমানে আমার দুই শিশু ফয়সাল ও তাজমহলের উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারত “ভেলর” হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। কিন্তু আমার সন্তানের উন্নত চিকিৎসার করানো মত বিন্দুমাত্র সামর্থ্য নেই।

থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত ফয়সাল ও তাজমহলের উন্নত চিকিৎসা করে তাদের জীবন বাচাঁনোর জন্য আপনাদের সাহায্য প্রয়োজন। সাহায্য করতে খুশিদ আলম, হিসাব নং- ৩৩১৮৩০১০৩৫৮৪৭ সোনালী ব্যাংক লিঃ নান্দাইল শাখা, ময়মনসিংহ অথবা বিকাশ (ব্যক্তিগত) ০১৯৮৮-৫৭৭৬১১।

সর্বশেষ - কমলনগর উপজেলা

আপনার জন্য নির্বাচিত

উন্নয়নের স্বার্থে নৌকায় ভোট দিন: ফরিদুন নাহার লাইলী

সুবর্ণচরে মা ইলিশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা মুলক সভা অনুষ্ঠিত

কমলনগর উপজেলা ছাত্রদলের নেতৃত্বে প্যানেল চেয়ারম্যান ও উদ্যোক্তার উপর হামলা

পাকুন্দিয়ায় দিনব্যাপী প্রাণীসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

পাকুন্দিয়ায় পাট চাষী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

অষ্টগ্রামে দূর্নীতি দমন কমিশনের বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

রামগঞ্জের নৌকা প্রার্থীদের ভরাডুবি ৬ ইউপিতে স্বতন্ত্র ৪টিতে নৌকা প্রার্থীর জয়

তেলের অভাবে বন্ধ সরকারি অ্যাম্বুলেন্স, বেসরকারিতে তিনগুণ ভাড়া

রামগতিতে প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

রামগতিতে মিনি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন